
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালে প্রধান শিক্ষক মদ্যপ অবস্থায় এসে অস্বাভাবিক আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, উপজেলার নুকালি বহুপ্বার্শিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে মদ্যপ অবস্থায় বিদ্যালয়ে আসেন। এ সময় তার আচরণে বিদ্যালয়ে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সকাল ১০টার দিকে তিনি টলতে টলতে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। পরে চিৎকার-চেঁচামেচি ও বিশৃঙ্খল আচরণ শুরু করলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে তাকে বাড়িতে নিয়ে যান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রুহুল আমিন দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যালয়ের পাশেই তার বাড়ি হওয়ায় পারিবারিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছেন। এর আগেও তিনি বিদ্যালয়ে নিজের কার্যালয়ে বসে মদ্যপান ও অস্বাভাবিক আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার প্রভাবের কারণে কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস পান না বলেও দাবি করেন স্থানীয়রা।
বিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সাময়িক পরীক্ষার সময় সকালে আমি তৃতীয় তলায় পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলাম। প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে ঠিক কী ঘটেছে তা দেখিনি। তবে একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজের চেয়ারে বসে মদ্যপান করে থাকলে, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন বলেন, আমি বাইরে থেকে মদ্যপান করে বিদ্যালয়ে একটি কাগজ নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। তখন কিছুটা মাতলামি হয়েছে। পরে আমার বড় ভাই আমিনুল ইসলাম ও ছোট ভাই নুরুল ইসলাম আমাকে বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনায় আমাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দেব।
শাহজাদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. সাইদুল ইসলাম শেখ বলেন, বিষয়টি জানার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষা বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
এদিকে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ঘটনা শুধু নৈতিক অবক্ষয়েরই নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার জন্যও একটি উদ্বেগজনক বার্তা।
টিআর
- ১‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ২১৩ দিনে সরকারের ব্যাংক ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা
- ৩রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ৪পলিথিন ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি
- ৫এনআরবিসি ব্যাংকে নবনিযুক্ত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসারদের ওরিয়েন্টেশন
- ৬বাংলা কিউআরের প্রচারে সোনালী ব্যাংক
- ৭যমুনা ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত
- ৮শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী
- ৯জাতীয় অধ্যাপক হলেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ
- ১০খাল খননের পাশাপাশি দখল-দূষণমুক্ত করতে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- ১চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে: অর্থমন্ত্রী
- ২ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ৩০ জুলাই
- ৩২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক : তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- ৪লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
- ৫মেঘনায় মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশা নিয়ে ফিরছেন জেলেরা
- ৬ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৭শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার
- ৮নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ আগস্ট
- ৯রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি
- ১০জাতীয় অধ্যাপক হলেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ





পাঠকের মতামত