
প্রতি বছর জুন মাস আসলেই ‘বাজেট’ ঘিরে মানুষের আগ্রহ থাকে তুঙ্গে। সার্বিকভাবে চাওয়া পাওয়ার হিসেব মিলাতে বসেন অনেকেই। জটিল অঙ্কের হিসেবে উঠে আসে দেশের আয়-ব্যয়ের হিসাব। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে দেশের উচ্চ পদস্থ কর্মচারীদের মধ্যে বাজেটের বিষয়টি বেশ গুরুত্ব পায়। নানান হিসেব-নিকেশের ভাবনা ঘোরপাক খায় তাদের মাথায়। কিন্তু খেটে খাওয়া মানুষের কাছে ‘বাজেট’ নিয়ে ভাবনার কথা মাথায় থাকে না। তারা চায় ডাল-চাল-তেলের দাম কমে যায়। তাতেই খুশি তারা।
রাজশাহী মহানগরীর কয়েরদাঁড়া এলাকার রিকশাচালক আজিম। প্রতিদিন রিকশা চালিয়ে যার পায় তা দিয়েই সংসার চলে তার। বাজেট ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করতেই আজিম বলেন, ‘ভাই, পেটের ভাবনা ভাবতেই দিন যায় বাজেট নিয়ে চিন্তা করার টায়াম নাই। সরকার কি থেকে কী করছে জানি না। আমি শুধু জানি চাল-ডাল-তেলের দাম যেনো কমে। জিনিসের যা দাম ক্যামন করে জীবন সংসার চলে হুস থাকে না।’
দেশের প্রত্যেক সাধারণ মানুষকে আয় ও ব্যয়ের হিসাব করে জীবন জীবিকা চালাতে হয়। সাধারণ মানুষের ভাবনাগুলো সাধারণ হয়ে থাকে। তারা আয়ের সঙ্গে ব্যয় নির্ধারণ করে থাকে।
তৈফিক হাসান মিলন (২৮)। বাড়ি রাজশাহী মহানগরীর সাধুর মোড় এলাকায়। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে মার্কেটিং এ চাকুরি করেন। মিলন বলেন, মাস শেষে বেতন পাই ১৭ হাজার টাকা। বাড়িতে তার স্ত্রী ও এক সন্তান। কোনোভাবে টেনেটুনে সংসার চলে। নিজের ভাবনা নিয়েই সময় পাওয়া যায় না। বাজেট নিয়ে আর কি ভাববো। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমলেই আমরা খুশি।
রাজশাহীর উপশহর এলাকায় একটি ভবন নির্মাণের কাজ করছেন দুরুল হুদা। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায়। বাজেট ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি বলেন, ‘হারগের অতো কিছু ভাইব্যা কি হবে কহেন? হারা দিন আনি দিন খাই। হারা কাজ কি ভাত খাই। ছ্যালেপুলে লিয়ে দু’বেলা খাতি প্যারলেই হলো।’
নগর ভবনের মোড়ে পান দোকানদার মোজাফ্ফর হোসেন। তিনি বলেন, সারাদেশে জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে, আমাদের ক্রয়সীমার ওপরে চলে গেছে। চাল, ডাল, তেল, চিনি থেকে শুরু করে সবকিছুর উর্ধ্বগতি। আগামী বাজেটে যদি এসব পণ্যের দাম যদি না কমে তাহলে আমরা গরিবরা তো মাঠে মারা যাবো। আমরা ক্রয় করতে না পারলে খাবো কি। আমরা চাই আগামী বাজেটে সরকার যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম কমানোর ব্যবস্থা করে ‘
নগরীর দড়িখরবোনা এলাকায় চায়ের দোকানদার সজল। তিনি বলেন, ‘সারাদিন চা বিক্রি করে সংসারে যা কামাই করি তার চেয়ে খরচ বেশি হইয়া যায়। সব জিনিসের খুব দাম। ৫০ টাকার নিচে কোন সবজি নাই। ৫০ টাকা আয় করতে ২৫ কাপ চা বিক্রি করতে হয়। যদি সরকার গরিবের কথা খেয়াল করে নতুন বাজেটে জিনিসের দাম কমাইয়া দেয়, তাইলে সংসার নিয়া বাঁচা যাবে।’
এআরএস
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৩সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৪নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৫নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান
- ৬জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী
- ৭মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
- ৮কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ৯বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ১০যানজট নিরসনে নবীনগর বাজারে উচ্ছেদ অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- ১‘লুটপাটে সহায়তাকারী’ আইএফআইসির এমডি মনসুর মোস্তফা বহাল তবিয়তে
- ২ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে যা বললেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম
- ৩চাঁদপুরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে বাড়ির মালিকের মৃত্যু
- ৪শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরল কমিটির হাতে
- ৫নবীনগরে সরকারি পুকুরপাড়ের লিজ নিয়ে বিতর্ক
- ৬পাথরঘাটায় তরুণী নিখোঁজ
- ৭ময়মনসিংহে ট্রাক চাপায় নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত
- ৮প্রবাসী কার্ডে মিলবে প্রায়োরিটি চেক-ইন ও বোর্ডিং সুবিধা
- ৯শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিসিএসের স্বপ্নে প্রিয়ন্তী
- ১০সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুরের পরিবারকে সরকারি সহায়তা





পাঠকের মতামত