
করোনার প্রাদুর্ভাব এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত কাটিয়ে বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে বিভিন্ন খাত থেকে ঋণ নিচ্ছেন তারা। এতে অল্প অল্প করে বাড়ছে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি। তবে এখনো আশানুরূপ ঋণ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিতরণ বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রার নিচেই পড়ে রয়েছে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি।
গত বছরের নভেম্বর মাস শেষে এ খাতে মোট ১৪ লাখ ৬ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা বিতরণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে। বিতরণ হওয়া এই ঋণের হার ২০২১ সালের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেশি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, করোনা পরবর্তী সময়ে ঋণের চাহিদা বেড়েছে। নতুন করে বিনিয়োগ করছেন উদ্যোক্তারা। ডলারের দাম বাড়ার কারণে বেশি ঋণের প্রয়োজন হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।
চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় মুদ্রানীতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করেছে ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ। গত ২০২১-২২ এর মুদ্রানীতিতে এটা ছিল ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। সাম্প্রতিক সময়ে ঋণ বৃদ্ধির প্রবণতা বিশ্লেষণ করে মুদ্রানীতিতে প্রাক্কলন কিছুটা কমানো হয়েছে চলতি অর্থবছরে।
চলতি অর্থবছরের নভেম্বরে দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যতম বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়েছে। নভেম্বর শেষে এই প্রবৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক ৯৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে যা আগের মাস অক্টোবর শেষে ছিল ১৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেই হিসেবে আগের মাসের তুলনায় প্রবৃদ্ধির হার বেড়েছে এক দশমিক ২৬ পয়েন্ট। সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ১৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি বছর থেকেই ঋণের চাপ বেড়েছে। ঋণের সুদহার ৯ শতাংশের মধ্যে থাকায় অনেকেই নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। কেউ কেউ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াচ্ছেন। গত চার মাসে ডলারের দাম ২০ শতাংশের বেশি বেড়েছে, এতে ঋণপত্রের মূল্য বেড়ে গেছে। এ কারণে ঋণও বাড়ছে। আবার চলতি বছর আবাসন, গাড়ি ও ব্যক্তিগত ঋণও বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিনিয়োগ চাহিদা কিছুটা কমেছে। সাধারণভাবে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে থাকলেও, ২০১৯ সালের নভেম্বরে তা নেমে যায় ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশে। করোনার প্রভাব শুরুর পর ২০২০ সালের মে শেষে প্রবৃদ্ধি নেমে দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশে। তবে পরের মাস জুন থেকে কিছুটা বাড়তে থাকে।
২০২২ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন পরিস্থিতির কারণে ফেব্রুয়ারিতে তা কমে ১০ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে আসে। মার্চে আবার বেড়ে ১১ দশমিক ২৯ শতাংশে দাঁড়ায়, এপ্রিলে হয় ১২ দশমিক ৪৮ শতাংশ। মে মাসে প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ, জুনে ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ, জুলাইয়ে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
বেসরকারি খাতে ঋণ দেওয়ার পরিমাণ আগস্টে বেড়ে হয়েছিল ১৪ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছিল ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশে।
- ১খেলাধুলা, আনন্দ ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ: ববি হাজ্জাজ
- ২বিশ্ববাজারে বাড়ছে খাদ্যপণ্যের দাম
- ৩চন্দ্রগঞ্জ থানার লুট হওয়া অস্ত্র-গুলিসহ সন্ত্রাসী ছোট নিশান গ্রেফতার
- ৪কলকাতায় ভয়াবহ আগুনে শিশুসহ ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ৫সূচকের মিশ্রাবস্থায় চলছে লেনদেন
- ৬রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪৮৩ জন গ্রেপ্তার
- ৭যবিপ্রবিতে কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স অ্যান্ড অ্যাক্রেডিটেশন: নলেজ শেয়ারিং অ্যান্ড প্যানেল ডিসকাশন’ শীর্ষক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত
- ৮লভ্যাংশ দেবে না এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়া ফান্ড
- ৯চাঁদপুরের দেশীয় মাছ ধ্বংসের মূলে কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারী
- ১০শ্রীমঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ চারজন গ্রেপ্তার
- ১ঢাকা কলেজস্থ সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণের ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
- ২গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২৫
- ৩মানিকগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে ছানা, ঝুঁকিতে ভোক্তার স্বাস্থ্য
- ৪চট্টগ্রামেও চালু হলো বিআরটিসির বিশেষ মহিলা ‘গোলাপি বাস’
- ৫খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি’র উদ্যোগে ইবিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
- ৬সিরাজগঞ্জে যুবদল নেতা সুজন হত্যা, স্ত্রীসহ দুজনের যাবজ্জীবন
- ৭চাঁদপুরের নাম ব্যবহার করে অনলাইনে ইলিশ বিক্রির প্রতারণার ফাঁদ
- ৮রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট খারিজ
- ৯রাত হলেই কপোতাক্ষ নদীর শামুক শিকার, ধ্বংসের মুখে জীববৈচিত্র
- ১০মাদারীপুরের ৪০১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই





পাঠকের মতামত