
ফসলি জমিতে কৃষকদের সেচ দিতে প্রতি ঘণ্টায় যেখানে খরচ হয় ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা আর বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পাতকুয়া প্রকল্পে সেখানে খরচ পড়বে ৫০ থেকে ১২০ টাকা। সোলার প্যানেলে মাধ্যমে জমিতে সেচ দিতে নেই কোন জ্বালানি তেলের খরচ লোডশেডিংয়ের ঝামেলাও। রংপুরে এই পাতকুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে সেচ সুবিধা পাচ্ছেন প্রায় দেড় হাজার কৃষক।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রংপুরের ৫ জেলায় এই সুবিধা দেয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। শুকনো মৌসুমে কৃষকদের জমিতে সেচ দেয়ার জন্য পাতকুয়া প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিশাল ক্ষেতের মাঝে শাপলা ফুলের আদলে বিশাল এক ছাতা নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বৃহত্তর রংপুরে এই প্রকল্প হাতে নেয়। প্রকল্পের আওতায় রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে মোট ৫০টি পাতকুয়া বসানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত বসানো হয়েছে ৩৩টি।
শুকনো মৌসুমে যে এলাকায় স্বল্প পানির চাষাবাদ হয় বিশেষ করে বিভিন্ন ধরণের সবজি, সেসব এলাকার কৃষকেরা এর মাধ্যমে সুবিধা পাচ্ছেন । সেচ দিতে প্রতি ঘণ্টায় যেখানে খরচ পড়তো ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। সেখানে দেড় ইঞ্চি ব্যসের পাইপের মাধ্যমে পানি নিলে পড়বে ৫০ টাকা আর আড়াই ইঞ্চি পাইপের মাধ্যমে নিলে কৃষককে গুনতে হয় প্রতি ঘন্টায় ১২০ টাকা।
কৃষক শমসের আলী জানান, আগের পানির জন্য ফসলের ক্ষতি হতো। লোড সেডিং এর কারনে সময় মতো পানি মিলতোনা । এখন সেই সমস্যা নেই। অল্প খরচে যখন খুশি পানি পাওয়া যাচ্ছে। কৃষক তবারক আলী জানান, পাতকুয়া কৃষকদের জন্য অনেক সাশ্রয়ী। ডিজেলের দাম বাড়ার কারনে সেচের খরচ বেড়েছে। আর সেচ ছাড়া কৃষি উৎপাদন অসম্ভব। পাতকুয়ায় মাত্র ১০০ টাকায় পানি দিতে পারি। তুলনামূলক উচু ও শুকনো মৌসুমে কম সেচ সুবিধার এলাকায় বসানো হচ্ছে এই কুয়াগুলো। প্রতিটি কুয়া ১২০ ফিট গভীর। ৬০ থেকে ৯০ ফিটের মধ্যে বসানো আছে একটি পাম্প। বৃষ্টির পানির পাশাপাশি ভুগর্ভস্থ পানিও জমা হয় এখানে।
প্রতিটি ছাতার ওপর বসানো হয়েছে সোলার প্যানেল। ফলে পাম্প চালাতে আলাদা করে কোন বিদ্যুৎ বা তেলের প্রয়োজন পড়ছে না। ছাতার ওপর বসানো সোলার প্যানেলই ওপর থেকে শাপলা ফুলের আদল তৈরি করেছে। একেকটি পাতকুয়া বসানোর জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ২২ লাখ টাকা। এই প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে রংপুর জেলায় সেচ সম্প্রসারণ।
যে সমস্ত জমিতে এসব পাতকুয়া বসানো হয়েছে, সেই জমির মালিককেই দেয়া হয়েছে দেখভালের দায়িত্ব। কৃষকদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ তারাই নিচ্ছেন। এতে কর্তৃপক্ষকে আলাদা করে দেয়া লাগে না কোন খরচ। রাজশাহী-নওগাঁ অঞ্চলের বরেন্দ্র ভূমিতে এই প্রকল্প প্রথমে শুরু হয়। রংপুর অঞ্চলের কৃষকদের মাঝেও এই পাতকুয়া প্রকল্প বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
প্রকল্প পরিচালক হাবিবুর রহমান খান জানান, ৫ বছর মেয়াদী এই প্রকল্প শেষ হবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। দুই হাজার কৃষককে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সুবিধা দিতে চায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। তিনি বলেন, এর ফলে উত্তরের কৃষি আরও বেশি সমৃদ্ধ হবে একই সাথে লাভবান হবেন কৃষকরা।
- ১কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার
- ২রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৩বন্যাদুর্গতদের খোঁজ নিতে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ৪বেইলি ব্রিজ ধস, মতলব-দাউদকান্দি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ
- ৫গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ভুক্তভোগী পাবে ক্ষতিপূরণ
- ৬সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
- ৭বাংলা কিউআরের প্রসারে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
- ৮অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: বিদ্যুৎ বিভাগ
- ৯এনআরবিসি ব্যাংকে ‘ট্রিপল ওয়ান ক্যাম্পেইন’ শুরু
- ১০জুলাইয়ে রপ্তানি আয় কমে ৪.৭২ বিলিয়ন ডলার
- ১বিজয়নগরে জোরপূর্বক বৃদ্ধের জায়গা দখলের অভিযোগ
- ২চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন
- ৩ব্যাংকিং ও রাজনৈতিক অর্থনীতি: একটি নির্মোহ পর্যালোচনা
- ৪নতুন মন্ত্রিসভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চাঁদপুর তিন আসনের এমপি মানিক
- ৫ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে নিঃস্ব হাজারো পরিবার, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি
- ৬ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৫৩ কোটি টাকার
- ৭আমি হত্যার পক্ষে নই, এজন্যই ইরানের সঙ্গে চুক্তি চাই : ট্রাম্প
- ৮ইউসিবি ব্যাংকের মঙ্গলবার লেনদেন বন্ধ
- ৯পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- ১০গাজীপুরে অনিয়মের অভিযোগে ভুমি অফিসের চারজন বরখাস্ত





পাঠকের মতামত