প্রকাশিত: আগস্ট ৩০, ২০২২ ৯:৩৫ পিএম

স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আমিনুল ইসলাম বাবুলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২ এর বিচারক তারিক হোসেন এ রায় দেন।

রায় ঘোষনার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশী পাহারায় রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বাজেমসকুর গ্রামের আক্কাছ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম বাবুল ঢাকায় একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে কাজ করার সময় তার সাথে পরিচয় হয় আম্বিয়া খাতুন ওরফে লতার সাথে। পরে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিছুদিন ঘর সংসার করার পর বাবুল তার স্ত্রীকে না জানিয়ে গোপনে রংপুরে তার নিজ বাড়িতে চলে আসে।

এরপর ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই বাবুলের স্ত্রী লতা স্বামীর খোঁজে রংপুরে তার বাসায় এসে দেখতে পায় তার স্বামী বাবুলের প্রথম স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। পরে লতা তার ওই স্বামীর বাড়িতে অবস্থান করার একদিন পর ২৬ জুলাই লতাকে রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাস রোধ করে হত্যা করে স্বামী বাবুল। খবর পেয়ে পুলিশ লতার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

পরে লতার ভাই মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় ২৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আসামী আমিনুল ইসলাম বাবুলের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ আদালতে সন্দেহাতিত ভাবে প্রমানিত হওয়ায় তাকে দোষি সাব্যস্ত করে বিচারক যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি নয়নুর রহমান টফি এ জানান, বাদী পক্ষ ন্যায় বিচার পেয়েছে এ রায়ে তারা সন্টষ্ট। অপরদিকে আসামী পক্ষের আইনজিবী আবুল হোসেন জানান তার মক্কেল ন্যায় বিচার পায়নির এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা হবে।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে নিঃস্ব হাজারো পরিবার, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি

ব্রহ্মপুত্রের অব্যাহত নদীভাঙনের করাল গ্রাস থেকে রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নসহ বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলকে রক্ষায় কুড়িগ্রামের উলিপুরের ...