ইসলামী ব্যাংকের অর্থপাচার
হাবিবুল্লাহ,আকিজ, মিফতাহ ও সাব্বিরসহ এস আলমের ঘনিষ্ঠ ৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক


এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল আলমের ঘনিষ্ঠ ও ঋণের নামে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের সহায়তাকারী হিসেবে পরিচিত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সাবেক অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আকিজ উদ্দিন, মোঃ সাব্বির, মিফতাহ উদ্দিন, কাজী মোঃ রেজাউল করিম, মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রধান কার্যালয়ের অর্থ পাচার প্রতিরোধ কর্মকর্তা তাহের আহমেদ চৌধুরী, ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সাবেক প্রিন্সিপাল ও বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, পান্থপথ শাখা, ঢাকায় কর্মরত নজরুল ইসলাম এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, পান্থপথ শাখার বর্তমান ম্যানেজার আবু নোমান মুহাম্মদ শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুরে অর্থপাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, পান্থপথ শাখা থেকে এস আলম গ্রুপের ২ হাজার কোটি টাকা পরস্পর যোগসাজশে দুর্নীতির মাধ্যমে সিঙ্গারপুর পাচার করেছেন-এমন অভিযোগ অনুসন্ধানে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দুই সদস্যের অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে দুদক। একই সঙ্গে তাদের কার্যকাল, দায়দায়িত্ব সংক্রান্ত তথ্য, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, এনআইডি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স এর সত্যায়িত ফটোকপি চাওয়া হয়েছে। এর সাথে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি,পান্থপথ শাখা হতে এস আলম গ্রুপ এবং গ্রুপভুক্ত প্রতিষ্ঠান সমূহ যেসব ঋণ গ্রহণ করেছে সেগুলোর তথ্যও চেয়েছে দুদক।
উল্লেখিত কর্মকর্তাদের মধ্যে আকিজ উদ্দিন হলেন এস আলমের একান্ত সচিব। অভিযোগ আছে, কাগজেকলমে মনিরুল মওলা ব্যাংকটির এমডি থাকলেও অঘোষিত এমডি ছিলেন আকিজ উদ্দিন। আকিজ উদ্দিনের নির্দেশনা অনুযায়ীই সব কিছু করতেন মনিরুল মওলা। আর ইসলামী ব্যাংকের ঋণের দায়িত্বে ছিলেন মিফতাহ উদ্দিন। এই দুই কমকর্তা ব্যাংকটির ঋণ বিতরণ ও মানবসম্পদ বিষয়গুলো দেখভাল করতেন।
আর জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ ছিলেন এস আলম গ্রুপের কোম্পানি সেক্রেটারি। এরপর ঢাকা ব্যাংকের এভিপি এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের ভিপি ছিলেন। পরে তাকে ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি এবং পরবর্তীতে এডিশনাল এমডি করা হয়। ডিএমডি এবং এডিশনাল এমডি থাকাবস্থায় ইসলামি ব্যাংকের বিভিন্ন বিনিয়োগে গ্রাহক থেকে ঘুষ নিয়ে বিনিয়োগ সুবিধা এবং বিনিয়োগ লিমিট বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক দখলে নেওয়ার পরই শুরু হয় নামে-বেনামে টাকা বের করার আয়োজন। এ জন্য আগে যারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকের মধ্যে নিজস্ব একটি অনুগত বাহিনী গড়ে তোলে এস আলম। প্রধান কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সব বিভাগ এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামের বড় শাখায় পদোন্নতি দিয়ে এসব কর্মকর্তাকে বসানো হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাঁদেরকে বরখাস্ত করা হয়।
এএ
- ১মেসির পেনাল্টি মিসের ম্যাচে মায়ামির বড় পরাজয়
- ২অনুমোদিত মূলধন বাড়ছে সিটি ব্যাংকের
- ৩কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী
- ৪সূর্যের আলো কম পেলেও টিকে থাকে যেসব গাছ
- ৫বিপদ-আপদ ও ক্ষতি থেকে সুরক্ষার ৫ দোয়া
- ৬রাঙ্গামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪
- ৭রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই আজ
- ৮বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ইতিহাস গড়লেন মিরাজ
- ৯যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহত ১১
- ১০আজ কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ১চাঁদপুরে পিতার বিরুদ্ধে মেয়ের সংবাদ সম্মেলন
- ২বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য
- ৩পেশাগত দক্ষতা ও গবেষণা উন্নয়নে যবিপ্রবির সঙ্গে তিন প্রতিষ্ঠানের চুক্তি
- ৪প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে ইবিতে দোয়া মাহফিল
- ৫সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান রফিকুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন
- ৬কুষ্টিয়ার ‘মসলা গ্রামে’ কৃষকদের সঙ্গে বিএনপি নেতার মতবিনিময়
- ৭শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে আজ ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
- ৮সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে পিপলস লিজিং
- ৯নিরাপত্তাহীনতা থাকলে চিকিৎসকদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না : প্রধানমন্ত্রী
- ১০চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবসায়িক সম্মেলন





পাঠকের মতামত