
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনারে অগ্নিকাণ্ডের পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম নগরজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। আবাসিক এলাকায় গ্যাস না থাকায় অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন। একই সাথে শিল্পকারখানা, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সিএনজি স্টেশনেও পড়েছে সংকটের প্রভাব।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে নগরীর কদমতলী এলাকার ফোর স্টার সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশন, বাকলিয়ার কর্ণফুলী ফিলিং স্টেশন, মইজ্জারটেক এলাকার শাহ আমানত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড এবং কামাল ব্রাদার্স সিএনজি স্টেশনে গ্যাস নিতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) কর্মকর্তারা জানান, গেল ২১ জুলাই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই গ্যাস সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামজুড়ে গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
এই সংকটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক গ্রাহকরা। রান্নার গ্যাস না থাকায় অনেক পরিবার দৈনন্দিন খাবার প্রস্তুত করতে পারছেন না।
নগরীর চট্টেশ্বরী এলাকার বাসিন্দা আসমা আক্তার বলেন, কয়েকদিন ধরে সকাল থেকেই গ্যাস থাকছে না। রবিবার সকাল ৭টায় গ্যাস চলে গেছে। সন্ধ্যার পরও চাপ খুব কম থাকে, রাত ১২টার দিকে টিমটিম করে জ্বলে।
আসকার দিঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা কামরুন্নাহার বলেন, সকালে গ্যাসের চাপ খুব কম থাকে। বাসার সবার জন্য রান্না করা কঠিন হয়ে পড়েছে। গ্যাস থেকেও যেন নেই। নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকলেও বাধ্য হয়ে সিলিন্ডার গ্যাস কিনেছি।
আগ্রাবাদ, হালিশহর, পতেঙ্গা, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, মুরাদপুর, বাকলিয়া, চকবাজার, বহদ্দারহাট, অক্সিজেন ও ষোলশহরসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারাও একই ধরনের দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন।
সরবরাহ কমে যাওয়ায় আবাসিক খাতের পাশাপাশি শিল্প ও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদনেও গ্যাসের চাপ কমাতে হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সিএনজি স্টেশনগুলোতে। গ্যাস নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের।
নগরীর মইজ্জারটেক এলাকার শাহ আমানত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের সামনে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছিলেন চট্টগ্রাম–বদরখালী সড়কের সিএনজি অটোরিকশাচালক মোহাম্মদ মিনহাজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আগে ১০ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে গ্যাস পেতাম। কয়েকদিন ধরে কষ্ট হচ্ছে, আজ সেই কষ্ট আরও বেড়েছে। দুই ঘণ্টা ধরে রোদে দাঁড়িয়ে আছি। কখন গ্যাস পাব, ঠিক নেই। এর মধ্যে সন্ধ্যা ৬টায় গ্যাস বিক্রিও বন্ধ হয়ে যাবে।
কেজিডিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিস্ট্রিবিউশন) রফিক খান বলেন, গেল ১০ দিন ধরেই গ্যাস সংকট চলছে। তবে ছুটির দিনে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য আরও খারাপ হওয়ায় পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে।
তিনি বলেন, শনিবার রাত থেকে গ্যাসের চাপ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের প্রায় সব এলাকাই সংকটে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
এনজে
- ১হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৬৭
- ২প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক চলছে
- ৩গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বিকেন্দ্রীভূত সৌরবিদ্যুতের বিকল্প নেই
- ৪গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে পর্যায়ক্রমে বসবে সৌর প্যানেল
- ৫প্রবাসীদের সঞ্চয়কে নিরাপদ ও লাভজনক করতে চালু করেছি ‘বীর’ প্ল্যাটফর্ম
- ৬মধ্যপ্রাচ্যে কমছে জনশক্তি রপ্তানি, বাড়ছে ইউরোপে
- ৭প্রবাসী আয়ে শীর্ষে ফিরলো ইসলামী ব্যাংক
- ৮রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব, দ্বিতীয় যুক্তরাজ্য
- ৯জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জুলাইয়ের রক্তের ঋণ শোধ হবে
- ১০রেমিট্যান্সের ৫২ শতাংশই ঢাকা বিভাগে, রংপুরে মাত্র ১ শতাংশ
- ১পদ-পদবী সংকটে মানবেতর জীবন এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের
- ২বিজয়নগরে জোরপূর্বক বৃদ্ধের জায়গা দখলের অভিযোগ
- ৩প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রী পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাবনায় মানববন্ধন
- ৪চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন
- ৫জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৮৫ বিলিয়ন ডলার
- ৬শিগগিরই ঢাবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি, নেতৃত্বের দৌড়ে কারা এগিয়ে?
- ৭ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে নিঃস্ব হাজারো পরিবার, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি
- ৮তিস্তা ও অর্থনৈতিক করিডর উদ্যোগ বাস্তবায়নে আশাবাদী চীন
- ৯সরকারের উন্নয়নকাজের সুফল দেশের মানুষ পেতে শুরু করেছে : কৃষিবিদ তুহিন
- ১০তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী





পাঠকের মতামত