
অটোপাসের দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (পাস) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা। পরে ওই আন্দোলন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের গাড়িবহরে হামলা করা হয়। এতে তিনি হেনস্তার শিকার হন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে এ ঘটনা ঘটে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) এ এস এম আমানুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষার্থীরা অন্যায় দাবি নিয়ে ক্যাম্পাসে এলে তাঁদের দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর গাড়িতে হামলা ও তাঁকে হেনস্তা করেন।
তিনি আরো বলেন, এর আগে গেল বছরের ২১ মে অটো পাসের দাবিতে আন্দোলনরত ২০২২ সালের স্নাতক (পাস) পরীক্ষার্থীদের হামলায় আহত হয়েছিলেন উপাচার্য।
তবে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, গত ১০ মার্চ উপাচার্যের কাছে আমরা তিনটি দাবি জানাই। দাবিগুলো হলো, একই বিষয়ে ৩-৪ বার পরীক্ষা দেওয়ার পরও অকৃতকার্য হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন, উত্তরপত্র মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণে শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র দেখার সুযোগদান এবং উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের পর দ্রুত সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ।
পরে কিছু (৭৬) জন শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র সোমবার দেখানোর আশ্বাস দিলেও, দুপুরেও আমাদের দাবি পূরণ না হওয়ায় বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন।
আমাদের দাবি না মেনে ভিসি স্যার গাড়িযোগে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে গেলে, শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ তাঁর গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন এবং অন্যরা গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী–কর্মকর্তারা আমাদের মারধর করে সরিয়ে দিলে ভিসি স্যার এলাকা ত্যাগ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, স্নাতক (পাস) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা অটো পাসের দাবিতে বিভিন্ন সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মূল ফটকে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
কিন্তু অটো পাস না দেওয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃঢ় অবস্থানের কারণে এই স্নাতক (পাস) কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এরপরও আজ সকাল থেকে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মূল ফটকে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
দুপুরে উপাচার্য ক্যাম্পাস থেকে ঢাকায় ফেরার পথে তাঁর গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় তিনি হেনস্তার শিকার হন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের অন্যায্য দাবি ও অযৌক্তিক আবদারের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কখনোই সহানুভূতিশীল হতে পারে না।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অটো পাস সমর্থন করে না। শিক্ষার গুণগত মান রক্ষার স্বার্থে সামনে অটো পাস ও গ্রেস নম্বর নিরুৎসাহিত করা হবে।
এ বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একবার অটো পাস চালু হলে দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।
ইএটি
- ১মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু
- ২UCB Price Sensitive Information
- ৩কানাডা থেকে ৪০ হাজার টন এমওপি সার কিনবে সরকার
- ৪চাঁদপুরে ভরণ-পোষণ দাবি করায় মা’কে হত্যাচেষ্টা
- ৫স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে
- ৬স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে
- ৭বন্যাকবলিত ৪,৫০০ পরিবারের পাশে ব্র্যাক ব্যাংক
- ৮সুন্দরবনে ৩০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ, আটক ১
- ৯মরণনেশা ক্যাসিনো আসক্তিতে এক তরুণের মৃত্যু
- ১০সৌদির বিরুদ্ধে হুথিদের নৌ অবরোধ ঘোষণার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ৩নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৪একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৫ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ৬সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৭সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৮কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ৯এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার
- ১০নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান





পাঠকের মতামত